চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী জানতে হলে বুঝতে হবে যে এই রুটে বর্তমানে চারটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে কক্সবাজার এক্সপ্রেস, পর্যটন এক্সপ্রেস, সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস। প্রতিটি ট্রেনের নির্দিষ্ট সময়, ছুটির দিন এবং ভাড়া রয়েছে যা যাত্রীদের আগেই জেনে নেওয়া জরুরি। এই গাইডে প্রতিটি ট্রেনের বিস্তারিত সময়সূচী, টিকিটের মূল্য ও অনলাইনে বুকিংয়ের পদ্ধতি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যাতে আপনি নির্ধারিত সময়ে কক্সবাজার পৌঁছাতে পারেন।
কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের গন্তব্য। আর সেখানে যাওয়ার সবচেয়ে আরামদায়ক উপায় ট্রেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে উদ্বোধনের পর থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল রুট পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু সঠিক সময়সূচী না জানলে ট্রেন মিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই নিচের টেবিল ও ব্যাখ্যা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার কোন কোন ট্রেন চলাচল করে?
বর্তমানে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে কক্সবাজার রুটে মোট চারটি আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে। এগুলো হলো:
- কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৪) — ভোরের ট্রেন, খুব ভোরে ছাড়ে।
- পর্যটন এক্সপ্রেস (৮১৬) — সকালের দিকে ছাড়ে, পর্যটকদের জন্য সুবিধাজনক।
- সৈকত এক্সপ্রেস (৮২১) — সকালের আরেকটি ট্রেন, সময়সীমা তুলনামূলক কম।
- প্রবাল এক্সপ্রেস (৮২৩) — বিকালের ট্রেন, দিনের শেষ যাত্রা।
এই চারটি ট্রেন সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিনই চলাচল করে। তবে ছুটির দিন প্রতিটি ট্রেনের জন্য আলাদা। নিচে সেটি বিস্তারিত দেওয়া হলো।
চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ও ছুটির দিন
ট্রেনের ছাড়ার সময় ও পৌঁছানোর সময় নির্ভর করে ট্রেনটির রুট ও গতি ওপর। ২০২৬ সালের এই সময়সূচী বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ সিডিউল অনুযায়ী তৈরি।
| ট্রেনের নাম | বন্ধের দিন | ছাড়ার সময় (চট্টগ্রাম) | পৌঁছানোর সময় (কক্সবাজার) |
|---|---|---|---|
| কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৪) | সোমবার | ভোর ৪:০০ | সকাল ৭:০০ |
| পর্যটন এক্সপ্রেস (৮১৬) | রবিবার | সকাল ১১:৩০ | বিকেল ৩:০০ |
| সৈকত এক্সপ্রেস (৮২১) | সোমবার | সকাল ৬:১৫ | সকাল ৯:৫৫ |
| প্রবাল এক্সপ্রেস (৮২৩) | সোমবার | বিকেল ৩:১০ | সন্ধ্যা ৭:০০ |
লক্ষ করুন, কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৪), সৈকত এক্সপ্রেস (৮২১) ও প্রবাল এক্সপ্রেস (৮২৩) — এই তিনটি ট্রেন সোমবার বন্ধ থাকে। অন্যদিকে পর্যটন এক্সপ্রেস (৮১৬) বন্ধ থাকে রবিবার। তাই ভ্রমণের আগে অবশ্যই দিনটি যাচাই করে নিন। বেশি ভিড় থাকে শুক্র ও শনিবার।
মূল কথা: চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার জন্য সবচেয়ে দ্রুতগামী ট্রেন সৈকত এক্সপ্রেস (৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট), আর সবচেয়ে ভোরের ট্রেন কক্সবাজার এক্সপ্রেস। সোমবার বেশিরভাগ ট্রেন বন্ধ থাকে, তাই রবিবার বা মঙ্গলবার ভ্রমণ করাই ভালো।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে?
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেলপথে দূরত্ব প্রায় ১৫১ কিলোমিটার। তবে ট্রেনের গতি ও স্টপেজের ওপর নির্ভর করে সময় কিছুটা কম-বেশি হয়। গড়ে প্রতিটি ট্রেনের যাত্রা সময় ৩ ঘণ্টা থেকে ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের মধ্যে। নিচের তালিকাটি দেখুন:
- কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৪): ৩ ঘণ্টা
- পর্যটন এক্সপ্রেস (৮১৬): ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
- সৈকত এক্সপ্রেস (৮২১): ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
- প্রবাল এক্সপ্রেস (৮২৩): ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট
তবে মনে রাখবেন, রেললাইনের কিছু অংশ এখনও একক লাইন হওয়ায় মাঝেমধ্যে সামান্য বিলম্ব হতে পারে।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের টিকিটের মূল্য ২০২৬
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের ভাড়া আসন বিভাগ অনুযায়ী ভিন্ন। বাংলাদেশ রেলওয়ে ভ্যাটসহ মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। নিচের টেবিলে ১৫% ভ্যাটসহ বর্তমান ভাড়া দেওয়া হলো:
| আসনের ধরণ | মূল্য (১৫% ভ্যাটসহ) |
|---|---|
| শোভন (২য় শ্রেণি) | ১৮৫ টাকা |
| শোভন চেয়ার | ২৫০ টাকা |
| ১ম শ্রেণির সিট | ৩৫০ টাকা |
| ১ম শ্রেণির বার্থ | ৪০০ টাকা |
| স্নিগ্ধা | ৪৭০ টাকা |
| এসি সিট | ৫৬৫ টাকা |
| এসি বার্থ | ৭০০ টাকা |
বিশেষ দ্রষ্টব্য: টিকিট কাটার সময় অতিরিক্ত টাকা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। শুধু নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করবেন। কাউন্টার বা অনলাইন—উভয় ক্ষেত্রেই একই মূল্য প্রযোজ্য।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বুকিং
অনলাইনে টিকিট বুকিং করা এখন খুবই সহজ। পুরো প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে করা যায়:
- প্রথমে https://eticket.railway.gov.bd/ ওয়েবসাইটে যান।
- আপনার ফোন নম্বর, ইমেইল ও এনআইডি কার্ড দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
- লগইন করে হোম পেজে ‘চট্টগ্রাম’ থেকে ‘কক্সবাজার’ সিলেক্ট করুন।
- তারিখ ও আসন বিভাগ (যেমন শোভন, এসি) বেছে নিয়ে ‘সার্চ’ বাটনে ক্লিক করুন।
- পছন্দের ট্রেন সিলেক্ট করে ‘বুক’ করুন। আপনার ফোনে একটি ওটিপি আসবে, তা ভেরিফাই করুন।
- বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করুন। পেমেন্ট সম্পন্ন হলে ‘ভিউ টিকেট’ অপশন থেকে অনলাইন কপি ডাউনলোড করে নিন।
টিকিট কাটার সময় নিশ্চিত করুন যে আপনি সঠিক তারিখ ও ট্রেন নির্বাচন করছেন। টিকিট হাতে পাওয়ার পর পিডিএফ বা স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করে রাখুন। বিকল্প হিসেবে রেলওয়ের অফিসিয়াল অ্যাপ ব্যবহার করেও বুকিং দেওয়া যায়।
মূল কথা: অনলাইনে টিকিট কাটতে কোনো জটিলতা নেই। শুধু ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে সহজ কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করুন। টিকিটের মূল্য নির্ধারিত, তাই অতিরিক্ত টাকা দেবেন না।
চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার কত কিলোমিটার?
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত রেলপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫১ কিলোমিটার। তবে সড়কপথে দূরত্ব কিছুটা বেশি, প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার। ট্রেনে এই পথ অতিক্রম করতে সময় লাগে গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা। রেললাইনটি পাহাড় ও সমতল ভূমির ওপর দিয়ে গেছে, যা যাত্রাপথে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ দেয়।
কক্সবাজার এক্সপ্রেসের সময় ও বৈশিষ্ট্য
কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৪) ভোর ৪টায় ছেড়ে সকাল ৭টায় পৌঁছায়। এটি সবচেয়ে ভোরের ট্রেন, যা খুব ভোরে গন্তব্যে পৌঁছাতে চান তাদের জন্য আদর্শ। তবে এর একটি সীমাবদ্ধতা আছে—সোমবার বন্ধ থাকে। এই ট্রেনের আসন সংখ্যা সীমিত, তাই আগেভাগে টিকিট কেটে রাখা ভালো।
পর্যটন এক্সপ্রেসের সময় ও বিশেষত্ব
পর্যটন এক্সপ্রেস (৮১৬) সকাল ১১:৩০-এ ছেড়ে বিকেল ৩টায় পৌঁছায়। এটি মূলত পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে চালু করা হয়েছে। ট্রেনটির কামরা আধুনিক এবং এসি সুবিধা আছে। তবে ছুটির দিন রবিবার, তাই শুক্র-শনিবারে যাওয়ার জন্য ভিন্ন ট্রেন বেছে নিন। এটি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আসার একটি আরামদায়ক মধ্যাহ্নকালীন অপশন।
সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেসের মধ্যে পার্থক্য
সৈকত এক্সপ্রেস (৮২১) ও প্রবাল এক্সপ্রেস (৮২৩) দুটিই সোমবার বন্ধ থাকে। তবে সময়ের দিক থেকে সৈকত সকালের ট্রেন (৬:১৫-৯:৫৫) আর প্রবাল বিকেলের (৩:১০-৭:০০)। সৈকত এক্সপ্রেসের ভাড়া কিছুটা কম, অন্যদিকে প্রবাল এক্সপ্রেসের এসি ও স্নিগ্ধা ক্লাস বেশি জনপ্রিয়। আপনার রুটিন অনুযায়ী বেছে নিন।
ঢাকা থেকেও কি কক্সবাজার যাওয়া যায় ট্রেনে?
হ্যাঁ, ঢাকা টু কক্সবাজার সময়সূচী অনুযায়ী সরাসরি ট্রেনও আছে। তবে চট্টগ্রামের যাত্রীদের জন্য স্থানীয় ট্রেনগুলোই সুবিধাজনক। আপনি যদি ঢাকা থেকে আসেন, তাহলে চট্টগ্রামে নেমে ওপরের ট্রেনগুলো ধরতে পারেন।
একটি কথা মনে রাখবেন—ট্রেনের সময়সূচী সরকারি ছুটির সময় বা বিশেষ কারণে পরিবর্তন হতে পারে। তাই যাত্রার আগের দিন অন্তত একবার রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা ajktrain থেকে সর্বশেষ সময়সূচী দেখে নেওয়া নিরাপদ।
কক্সবাজার ট্রেনের টিকিট কি আগে থেকে কাটা জরুরি?
শুক্র ও শনিবার এবং দীর্ঘ ছুটির দিনগুলোয় টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাই আগে থেকে অনলাইনে টিকিট কেটে রাখাই ভালো। অফলাইনে স্টেশন থেকে টিকিট কাটার সময় লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হতে পারে। অনলাইন বুকিং ৭ দিন আগে থেকে শুরু হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ কী?
চারটি ট্রেন চলাচল করে: কক্সবাজার এক্সপ্রেস (ভোর ৪টা-সকাল ৭টা, সোমবার বন্ধ), পর্যটন এক্সপ্রেস (সকাল ১১:৩০-বিকেল ৩টা, রবিবার বন্ধ), সৈকত এক্সপ্রেস (সকাল ৬:১৫-সকাল ৯:৫৫, সোমবার বন্ধ), প্রবাল এক্সপ্রেস (বিকেল ৩:১০-সন্ধ্যা ৭টা, সোমবার বন্ধ) বন্ধের দিন ছাড়া প্রতিদিন চলে।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের ভাড়া কত?
ভাড়া আসনভেদে ১৮৫ টাকা (শোভন) থেকে ৭০০ টাকা (এসি বার্থ) পর্যন্ত। শোভন চেয়ার ২৫০, প্রথম শ্রেণির সিট ৩৫০, স্নিগ্ধা ৪৭০, এসি সিট ৫৬৫ টাকা। সব মূল্যে ১৫% ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত।
কক্সবাজার এক্সপ্রেসের টিকিট কীভাবে কাটব?
অনলাইনে eticket.railway.gov.bd-এ অ্যাকাউন্ট খুলে বুকিং দিন। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রুট নির্বাচন করে তারিখ ও আসন পছন্দ করে পেমেন্ট (বিকাশ/নগদ) করুন। টিকিটের কপি ডাউনলোড করে রাখুন। স্টেশন কাউন্টার থেকেও নগদে কাটা যায়।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে?
সবচেয়ে দ্রুত কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৩ ঘণ্টা), সৈকত এক্সপ্রেস (৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট), পর্যটন ও প্রবাল (৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ও ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট)। গড় সময় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেন কি প্রতিদিন চলে?
হ্যাঁ, তবে প্রতিটি ট্রেনের আলাদা ছুটির দিন আছে। কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস সোমবার বন্ধ। পর্যটন এক্সপ্রেস রবিবার বন্ধ। বাকি দিনগুলোতে সব ট্রেন চলে।
সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেসের মধ্যে কোনটি ভালো?
সৈকত এক্সপ্রেস সকালে ছেড়ে কম সময়ে পৌঁছায়, ভাড়া কম। প্রবাল এক্সপ্রেস বিকেলে ছেড়ে পৌঁছায় সন্ধ্যায়, এতে এসি ও স্নিগ্ধা ক্লাস আছে। আপনার যাত্রার সময়ের উপর নির্ভর করে পছন্দ করুন।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের টিকিট কি অনলাইনে কাটা বাধ্যতামূলক?
না, স্টেশন কাউন্টার থেকেও টিকিট কেনা যায়। তবে অনলাইনে আগে কাটলে ভিড় এড়ানো যায় এবং কাঙ্ক্ষিত আসন পাওয়া সহজ হয়। ছুটির দিনে টিকিট দ্রুত শেষ হয়, তাই অনলাইন বুকিং সুবিধাজনক।
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময় কি পরিবর্তন হয়?
সরকারি ছুটি, রেললাইন মেরামত বা বিশেষ কারণে অস্থায়ীভাবে সময় পরিবর্তন হতে পারে। নিয়মিত হালনাগাদ জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নির্ভরযোগ্য সূত্র দেখুন যেমন ajktrain।
কক্সবাজার ট্রেনে কি খাবার পাওয়া যায়?
সব আন্তঃনগর ট্রেনে অন-বোর্ড খাবার সার্ভিস আছে। প্যান্ট্রি কার থেকে চা, বিস্কুট, মুড়ি, ভাত ও তরকারি কেনা যায়। তবে নিজের পছন্দের খাবার সঙ্গে রাখতে পারেন।




