গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ | আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেনের তালিকা
গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত ছয়টি আন্তঃনগর ট্রেন সরাসরি বিরতিহীনভাবে চলাচল করে। এই ট্রেনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভোরে ছাড়ে যমুনা এক্সপ্রেস (৭৪৬) যা ভোর ৫টা ১২ মিনিটে ছেড়ে ঢাকা পৌঁছায় সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে। আর সবচেয়ে রাতে ছাড়ে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৬) যা রাত ৮টা ৫২ মিনিটে ছেড়ে ঢাকা পৌঁছায় রাত ১১টায়। সোমবার তিস্তা এক্সপ্রেস ও মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে, আর হাওর এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে বৃহস্পতিবার। বাকি ট্রেনগুলো প্রতিদিন চলাচল করে।
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর | ছাড়ার সময় | ঢাকা পৌঁছানোর সময় | ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| যমুনা এক্সপ্রেস | ৭৪৬ | ০৫:১২ | ০৭:৪৫ | নাই |
| মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস | ৭৯০ | ০২:৫২ | ০৫:০০ | সোমবার |
| ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস | ৭৪৪ | ১০:১০ | ১২:৪০ | নাই |
| হাওর এক্সপ্রেস | ৭৭৮ | ১১:২২ | ১৩:৫০ | বৃহস্পতিবার |
| তিস্তা এক্সপ্রেস | ৭০৮ | ১৭:৫৭ | ২০:২৫ | সোমবার |
| অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস | ৭৩৬ | ২০:৫২ | ২৩:০০ | নাই |
মূল কথা: আন্তঃনগর ট্রেনের মধ্যে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস সবচেয়ে সকালে এবং তিস্তা এক্সপ্রেস সন্ধ্যার পর যাত্রীদের জন্য ভালো অপশন। শুক্রবার ছাড়া সব ট্রেনই চালু থাকে, তবে নির্দিষ্ট কোনো ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন খেয়াল রাখবেন।
গফরগাঁও টু ঢাকা মেইল ও কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী
আন্তঃনগর ট্রেনের পাশাপাশি গফরগাঁও স্টেশন থেকে ঢাকাগামী পাঁচটি মেইল ও কমিউটার ট্রেন রয়েছে, যেগুলো বাজেট ভ্রমণের জন্য দারুণ। প্রথম ট্রেন জামালপুর কমিউটার (৫২) সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ছেড়ে ঢাকা পৌঁছায় সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে। সবচেয়ে ব্যস্ত ট্রেন মহুয়া কমিউটার (৪৪) সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে রাত ৯টা ২৫ মিনিটে পৌঁছায়। এই ট্রেনগুলোর কোনো সাপ্তাহিক বন্ধ নেই, তাই প্রতিদিনই চলাচল করে। তবে ভাওয়াল এক্সপ্রেস (৫৬) মেইল ট্রেনটি সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে ছাড়লেও ঢাকা পৌঁছাতে সময় নেয় ৪ ঘণ্টা ১৭ মিনিট, কারণ এটি পথে অনেক স্টেশনে থামে।
| ট্রেনের নাম | ট্রেন নম্বর | ছাড়ার সময় | ঢাকা পৌঁছানোর সময় | ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| জামালপুর কমিউটার | ৫২ | ০৮:৩৭ | ১১:১৫ | নাই |
| ভাওয়াল এক্সপ্রেস | ৫৬ | ০৭:১৮ | ১১:৩৫ | নাই |
| বলাকা কমিউটার | ৫০ | ১৪:৪৩ | ১৭:২৫ | নাই |
| দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার | ৪৮ | ১৬:২১ | ১৯:১৫ | নাই |
| মহুয়া কমিউটার | ৪৪ | ১৮:৩০ | ২১:২৫ | নাই |
মূল কথা: মেইল ও কমিউটার ট্রেন আন্তঃনগরের চেয়ে বেশি সময় নেয়, কিন্তু ভাড়া প্রায় অর্ধেক। বিশেষ করে ভাওয়াল এক্সপ্রেস সকালের ব্যস্ত সময়ে যাত্রীদের জন্য একটি সস্তা বিকল্প। এই ট্রেনগুলোর কোনো সাপ্তাহিক বন্ধ না থাকায় সব দিনই যাওয়া যায়।
গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া কত?
গফরগাঁও থেকে ঢাকা ট্রেনের ভাড়া নির্ভর করে আপনি কোন শ্রেণীতে ভ্রমণ করছেন তার ওপর। শোভন শ্রেণীতে ভাড়া মাত্র ৮৫ টাকা, যা সবচেয়ে সস্তা অপশন। তবে আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য শোভন চেয়ার ১০৫ টাকা, প্রথম আসন ১৫৬ টাকা এবং স্নিগ্ধা ১৯৬ টাকা। এসি কেবিন বা প্রথম বার্থে ভ্রমণ করতে চাইলে ভাড়া পড়বে ২৬৩ টাকা, আর এসি বার্থে সর্বোচ্চ ৩৫১ টাকা। নিচের টেবিলে সম্পূর্ণ ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো:
| আসন বিভাগ | টিকিটের মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| শোভন | ৮৫ |
| শোভন চেয়ার | ১০৫ |
| প্রথম আসন | ১৫৬ |
| প্রথম বার্থ | ২৬৩ |
| স্নিগ্ধা | ১৯৬ |
| এসি কেবিন | ২৬৩ |
| এসি বার্থ | ৩৫১ |
বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, স্নিগ্ধা ও এসি কেবিনে ভ্রমণ করলে ভিড় কম থাকে এবং যাত্রা আরামদায়ক হয়। তবে শোভন চেয়ারও ভালো, কারণ এতে জানালার পাশে বসার সুযোগ থাকে। কমিউটার ট্রেনের ভাড়া আরও কম — জামালপুর কমিউটারের শোভন আসনে ভাড়া মাত্র ৬০ টাকা। এটি সবচেয়ে বাজেট-ফ্রেন্ডলি অপশন, তবে পথে অনেক স্টেশনে থামার কারণে সময় বেশি লাগে।
গফরগাঁও থেকে ঢাকা ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে?
আন্তঃনগর ট্রেনে গফরগাঁও থেকে ঢাকায় পৌঁছাতে গড়ে ২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট সময় লাগে। সবচেয়ে দ্রুত ট্রেন অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস যেটি সময় নেয় মাত্র ২ ঘণ্টা ৮ মিনিট। আর সবচেয়ে ধীর আন্তঃনগর ট্রেন তিস্তা এক্সপ্রেস যেটি ২ ঘণ্টা ২৮ মিনিটে পৌঁছায়। মেইল ট্রেনের ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে — ভাওয়াল এক্সপ্রেস ৪ ঘণ্টা ১৭ মিনিট সময় নেয়, কারণ এটি পথে প্রতিটি ছোট স্টেশনে থামে। কোনো ট্রেনের সঠিক সময় জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা স্টেশন থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।
মূল কথা: দ্রুত পৌঁছাতে চাইলে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস বা যমুনা এক্সপ্রেস বেছে নিন। সময় বাঁচাতে চাইলে আন্তঃনগর ট্রেনই সেরা অপশন, আর বাজেট ভ্রমণের জন্য কমিউটার ট্রেন ভালো।
গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেনের টিকিট কাটার সেরা উপায় কী?
ট্রেনের টিকিট কাটার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা। আপনি ই-টিকিটিং সিস্টেমের মাধ্যমে ৭ দিন আগে থেকে টিকিট কাটতে পারেন। তবে গফরগাঁও স্টেশন থেকে সরাসরি স্টেশন কাউন্টারেও টিকিট পাওয়া যায়। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি, বিশেষ করে শুক্রবার ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনে। তাই আগাম টিকিট কেটে রাখা উত্তম। গফরগাঁও স্টেশনে প্রতিদিন ৮০০০ যাত্রী যাতায়াত করেন, কিন্তু আন্তঃনগর ট্রেনে মাত্র ১৭৮টি আসন থাকে। তাই অনলাইনে আগাম বুকিং না করলে টিকিট না-ও পেতে পারেন।
গফরগাঁও টু ঢাকা কোন ট্রেনে ভ্রমণ করা ভালো?
সকালের দিকে যেতে চাইলে যমুনা এক্সপ্রেস সেরা—ভোর ৫টা ১২ মিনিটে ছেড়ে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা পৌঁছে যান। অফিস টাইমের জন্য এটি দারুণ, কারণ আপনি ৮টার মধ্যে কমলাপুর পৌঁছে যেতে পারেন। বিকেলে যাওয়ার জন্য ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ভালো অপশন—এটি সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়ে, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে পৌঁছায়। যদি রাতের যাত্রা চান, তাহলে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস সবচেয়ে আরামদায়ক ও দ্রুত। তবে স্মরণ রাখবেন, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ঢাকা পৌঁছায় রাত ১১টায়, ফলে শেষরাতে গন্তব্যে পৌঁছানো কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেনের টিকিটের দাম কি সব ট্রেনে একই?
না, ট্রেনের ক্লাস অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারিত, ট্রেনভেদে ভাড়ায় কোনো পার্থক্য নেই। অর্থাৎ যমুনা এক্সপ্রেস বা অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস—যেকোনো আন্তঃনগর ট্রেনের শোভন চেয়ারের ভাড়া ১০৫ টাকা সমান। মেইল ট্রেনের শোভন আসনের ভাড়া আন্তঃনগরের চেয়ে কম। উদাহরণস্বরূপ, জামালপুর কমিউটারের শোভন আসন মাত্র ৬০ টাকা। তবে এসি বা স্নিগ্ধা ক্লাসের ভাড়া আন্তঃনগর ট্রেনে একই—আপনি যেই ট্রেনেই চড়ুন না কেন।
গফরগাঁও স্টেশন থেকে ঢাকা ট্রেন ছাড়ার আগে কতটুকু সময় আগে পৌঁছানো উচিত?
অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আন্তঃনগর ট্রেন ধরতে অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো ভালো। কারণ ট্রেনের নির্ধারিত সময়ের ৫-১০ মিনিট আগেই ছেড়ে যেতে পারে। আর টিকিট কাউন্টারে লাইন থাকতে পারে, বিশেষ করে ভিড়ের সময়। মেইল ও কমিউটার ট্রেনের ক্ষেত্রে ১৫ মিনিট আগে পৌঁছালেই যথেষ্ট। গফরগাঁও স্টেশন ছোট হওয়ায় প্ল্যাটফর্মে যেতে বেশি সময় লাগে না।
মূল কথা: গফরগাঁও থেকে ঢাকায় যেতে প্রতি ঘণ্টায় অন্তত একটি ট্রেন পাওয়া যায়। সবচেয়ে সস্তায় যেতে চাইলে কমিউটার, আর দ্রুত যেতে চাইলে আন্তঃনগর ট্রেন বেছে নিন। টিকিট আগে কাটা ও ভ্রমণের আগে সময়সূচী দেখে নেওয়া জরুরি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
গফরগাঁও টু ঢাকা প্রথম ট্রেন কোনটি?
গফরগাঁও থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে প্রথম ট্রেন হলো মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৯০) যা রাত ২টা ৫২ মিনিটে ছাড়ে। তবে এই ট্রেনটি সোমবার বন্ধ থাকে। সোমবারের প্রথম ট্রেন হলো যমুনা এক্সপ্রেস (৭৪৬) যা ভোর ৫টা ১২ মিনিটে ছাড়ে।
গফরগাঁও টু ঢাকা শেষ ট্রেন কোনটি?
গফরগাঁও থেকে ঢাকার শেষ ট্রেন হলো অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৬) যা রাত ৮টা ৫২ মিনিটে ছাড়ে ও রাত ১১টায় ঢাকা পৌঁছায়। এই ট্রেনের কোনো সাপ্তাহিক বন্ধ নেই, তাই প্রতিদিনই চলাচল করে।
গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া কত?
গফরগাঁও থেকে ঢাকা ট্রেনের ভাড়া আসন বিভাগভেদে ভিন্ন। শোভন আসন ৮৫ টাকা, শোভন চেয়ার ১০৫ টাকা, প্রথম আসন ১৫৬ টাকা, প্রথম বার্থ ২৬৩ টাকা, স্নিগ্ধা ১৯৬ টাকা, এসি কেবিন ২৬৩ টাকা এবং এসি বার্থ ৩৫১ টাকা। মেইল ট্রেনের শোভন আসন আরও কম—প্রায় ৬০ টাকা।
গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেন কত সময় লাগে?
আন্তঃনগর ট্রেনে গফরগাঁও থেকে ঢাকায় পৌঁছাতে গড়ে ২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট সময় লাগে। সবচেয়ে দ্রুত অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ২ ঘণ্টা ৮ মিনিটে পৌঁছায়। মেইল ট্রেনে সময় বেশি—ভাওয়াল এক্সপ্রেস ৪ ঘণ্টা ১৭ মিনিট নেয়।
গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেন কি প্রতিদিন চলে?
বেশিরভাগ ট্রেনই প্রতিদিন চলে। তবে তিস্তা এক্সপ্রেস ও মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস সোমবার বন্ধ থাকে, আর হাওর এক্সপ্রেস বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে। বাকি ট্রেন—যমুনা এক্সপ্রেস, ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস—প্রতিদিন চলাচল করে। মেইল ও কমিউটার ট্রেনগুলোর কোনো বন্ধ নেই।
গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেনের টিকিট অনলাইনে কাটা যায়?
হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট কাটা যায়। সেখানে ৭ দিন আগে থেকে টিকিট বুকিং দেওয়া সম্ভব। স্টেশন কাউন্টার থেকেও টিকিট পাওয়া যায়, তবে ভিড়ের সময় টিকিট শেষ হতে পারে।
গফরগাঁও টু ঢাকা সস্তা ট্রেন কোনটি?
সবচেয়ে সস্তা অপশন হলো জামালপুর কমিউটার বা ভাওয়াল এক্সপ্রেস-এর শোভন আসন, যার ভাড়া মাত্র ৬০ টাকা। এছাড়া বলাকা কমিউটার ও দেওয়ানগঞ্জ কমিউটারেও সস্তায় যাওয়া যায়। তবে সময় বেশি লাগে এবং ভিড় থাকে।
গফরগাঁও টু ঢাকা দ্রুত ট্রেন কোনটি?
সবচেয়ে দ্রুত ট্রেন হলো অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৬) যা মাত্র ২ ঘণ্টা ৮ মিনিটে ঢাকা পৌঁছায়। দ্বিতীয় দ্রুত ট্রেন হলো যমুনা এক্সপ্রেস (২ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট)। এসি কেবিন বা স্নিগ্ধা ক্লাসে ভ্রমণ করলে আরামও পাওয়া যায়।
গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী কোথায় পাব?
আপনি বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ বা সরাসরি গফরগাঁও স্টেশন থেকে সময়সূচী পেতে পারেন। এছাড়া অনেক অনলাইন পোর্টাল—যেমন রেলবার্তা—সঠিক ও আপডেট সময়সূচী দেয়। ট্রেনের সময় পরিবর্তন হতে পারে, তাই যাত্রার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন।
গফরগাঁও টু ঢাকা ট্রেনে কি এসি আছে?
হ্যাঁ, আন্তঃনগর ট্রেনে এসি কেবিন ও এসি বার্থের ব্যবস্থা আছে। যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, অগ্নিবীণা ও হাওর এক্সপ্রেসে এসি সুবিধা পাওয়া যায়। এসি কেবিনের ভাড়া ২৬৩ টাকা এবং এসি বার্থের ভাড়া ৩৫১ টাকা। মেইল ট্রেনে এসি সুবিধা নেই।




